Are SDGs achievable? Its challenges and solutions
The SDGs are technically attainable, but they will need a lot of work by governments, civil society, the commercial sector, and people all around the world.
আইন বিভাগে বিভিন্ন আইনি বিষয়ে লেখা ও আলোচনা করা হয়। এই বিভাগে আইনের বিভিন্ন দিক, সরকারী আইন, আইনগত সমস্যা এবং আইনি পরামর্শের সম্পর্কে লেখা প্রকাশ করা হবে। আইনের বিভিন্ন বিধি, আদেশ, মামলা সম্পর্কে আর্টিকেলের প্রকাশের মাধ্যমে আমাদের লক্ষ্য হল পাঠকদের বিভিন্ন আইনি বিষয়ে পরিপূর্ণ জ্ঞান অর্জন করার সাথে সাথে তাদের আইনি সমস্যা সম্পর্কে সঠিক ধারণা ও সমাধান প্রদান করা।
The SDGs are technically attainable, but they will need a lot of work by governments, civil society, the commercial sector, and people all around the world.
টেকসই উন্নয়ন অভীষ্টসমূহ এমন এক পারস্পরিক সংহতি ও অবিভাজ্য কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে প্রণীত, যা একটি ক্ষেত্রের অগ্রগতিকে অন্য ক্ষেত্রগুলোর উত্তরণের সহায়ক হিসেবে গণ্য করে।
টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) হলো বৈশ্বিক ও সর্বজনীন লক্ষ্যমাত্রার একটি সুবিন্যস্ত রূপরেখা, যা সকল রাষ্ট্রের জন্য সমভাবে প্রযোজ্য। দারিদ্র্য বিমোচন, পরিবেশের সুরক্ষা এবং বিশ্বজুড়ে শান্তি ও সমৃদ্ধি নিশ্চিতকরণের মধ্য দিয়ে একটি উন্নততর মানবিক সমাজ বিনির্মাণই এই অভীষ্টগুলোর মূল উপজীব্য।
জাতিসংঘ সনদে সুস্পষ্টভাবে বিবৃত হয়েছে যে, 'মানবাধিকার ও মৌলিক স্বাধীনতার প্রতি সম্মান প্রদর্শন ও তা সমুন্নত রাখা' বিশ্বসংস্থাটির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।
যেসব রাষ্ট্রে সরকার জনমতের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে কিংবা যেখানে জনমতের কোনো স্বাধীনতা নেই, সেখানে শাসনব্যবস্থা স্বৈরাচারী হয়ে ওঠে। এ ধরনের সরকার জনমনে মত প্রকাশের ক্ষেত্রে ভীতি সঞ্চার করে এবং সেই ভীতিকে লালন ও সুসংহত করার মাধ্যমেই নিজের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করে।
বহুবিধ ব্যক্তির অভিমতের এক জটিল ও সমম্বিত রূপকেই 'জনমত' হিসেবে অভিহিত করা যায়।
বাংলাদেশ সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে বর্ণিত রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ (অনুচ্ছেদ ৮–২৫): মৌলিক অধিকারের সাথে এদের তুলনামূলক সম্পর্ক, বিচারিক বলবৎ-অযোগ্যতার কারণ এবং কুদরত-ই-এলাহী পনীর মামলার আলোকে সাংবিধানিক বিশ্লেষণ।
২০০০ সালে জাতিসংঘের সহস্রাব্দ সম্মেলনে জাতিসংঘের সহস্রাব্দ ঘোষণাপত্র পাসের পর, ২০১৫ সালের মধ্যে দারিদ্র্যসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সমস্যার টেকসই সুরাহা বা মোকাবেলার জন্য সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য (MDGs) নামে পরিচিত আটটি আন্তর্জাতিক উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত হয়।
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের ভিত্তিপ্রস্তর হিসেবে ১৯৪৮ সালের মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণাপত্রকে বিবেচনা করা হয়। আইনত বলবৎযোগ্য অগণিত আন্তর্জাতিক মানবাধিকার চুক্তির আদর্শ রূপরেখা হিসেবে এটি কাজ করেছে। অন্যায়-অবিচার মোকাবিলা, বিবাদ নিরসন, নিগৃহীত জনপদে বসবাস কিংবা প্রত্যেকের মানবাধিকার নিশ্চিতকরণের সংগ্রামে—আমাদের সবার জন্যই এই ঘোষণাপত্র আজও এক অবিচল প্রেরণার উৎস।
ইউরোপীয় ইউনিয়ন সমসাময়িক বিশ্বে নিঃসন্দেহে সর্বাধিক সফল আঞ্চলিক সংগঠন। রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংহতি বজায় রাখা এই জোটটির অন্তর্ভুক্ত সাতাশটি ইউরোপীয় রাষ্ট্র। বিশ্ববাণিজ্যের অন্যতম শক্তিশালী এই বলয়টি উদারনৈতিক গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের নিরলস পৃষ্ঠপোষক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সনদ মূলত সর্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণা, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার বিষয়ক আন্তর্জাতিক চুক্তি, নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার বিষয়ক আন্তর্জাতিক চুক্তি এবং এ সংক্রান্ত ঐচ্ছিক প্রটোকলসমূহের এক সমন্বিত রূপ।
মানবাধিকার কমিটি হলো বিশেষজ্ঞগণের সমন্বয়ে গঠিত একটি নিরপেক্ষ সংস্থা, যা রাষ্ট্রপক্ষসমূহের 'নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার বিষয়ক আন্তর্জাতিক চুক্তি'র বাস্তবায়ন তদারকি করে থাকে।
মানবাধিকারের ধারণাটি ব্যক্তিভেদে ভিন্নতর; এর উপলব্ধিতে প্রায়শই বৈসাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয়। প্রকৃতপক্ষে, মানবাধিকারের বোধ কোনো স্থবির বিষয় নয়, বরং এটি নিরন্তর বিবর্তনশীল। বিভিন্ন রাষ্ট্রের সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপট, আইনি কাঠামো, মতাদর্শগত অবস্থান এবং আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির বহুমুখী ভিন্নতার কারণে মানবাধিকারের একটি সর্বজনীন ও সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞা নির্ধারণ করা দুরূহসাধ্য।
মানবাধিকার কোনো আকস্মিক আবিষ্কার নয়। কোনো গবেষণাগারে বসে কিংবা পাহাড়ের চূড়ায় ধ্যানে মগ্ন হয়ে কেউ মানবাধিকারের ধারণাটি খুঁজে বের করেনি। মানব সভ্যতার সূচনালগ্ন থেকে, মানবশিশুর জন্মের পর থেকেই মানবাধিকারের অস্তিত্ব বিদ্যমান। এটি একান্তই প্রাকৃতজাত; সমাজকাঠামোর প্রতিটি স্তরেই এর স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি অনস্বীকার্য।
গায়ে পড়ে কথা বলি কিংবা গা বাঁচানোর জন্য কথা বলি। কোন কথা আমাদের রাজনৈতিক আবার কোন কথা রাজনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত আবার কোনটা একেবারেই অরাজনৈতিক। নির্দিষ্ট সীমারেখার ভেতরে থেকেই কথা বলি আবার সীমারেখা অতিক্রম করেও কথা বলি। কিন্তু কেন আমরা কথা বলি? এই “কথা বলা আমাদের অধিকার” জন্যেই কি শুধু কথা বলি নাকি কথা বলাটা একটা কর্তব্যও বটে?