Switch language / ভাষা পরিবর্তন করুন

টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (SDG)-এর প্রেক্ষাপট ও বৈশিষ্ট্যসমূহ

সারকথা

টেকসই উন্নয়ন অভীষ্টসমূহ এমন এক পারস্পরিক সংহতি ও অবিভাজ্য কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে প্রণীত, যা একটি ক্ষেত্রের অগ্রগতিকে অন্য ক্ষেত্রগুলোর উত্তরণের সহায়ক হিসেবে গণ্য করে।

রাকিবুল ইসলাম
লিখেছেন:রাকিবুল ইসলাম
প্রকাশিত: ২৬ জানুয়ারি ২০২৩•পড়তে ৪ মিনিট লাগবে
টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (SDG)-এর প্রেক্ষাপট ও বৈশিষ্ট্যসমূহ

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) হলো ১৭টি বৈশ্বিক অভিলক্ষ্যের একটি সমষ্টি, যা ২০১৫ সালে জাতিসংঘের ‘টেকসই উন্নয়নের জন্য ২০৩০ এজেন্ডা’-র অংশ হিসেবে গৃহীত হয়। এই লক্ষ্যগুলোর উদ্দেশ্য হলো দারিদ্র্য নির্মূল করা, পরিবেশ রক্ষা করা এবং বিশ্বব্যাপী শান্তি ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করা। এগুলো শক্তি, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, লিঙ্গসমতা, পানি ও স্যানিটেশন, দারিদ্র্য বিমোচন, ক্ষুধা নিবৃত্তি এবং জনস্বাস্থ্যের মতো বিস্তৃত বিষয়গুলোকে অন্তর্ভুক্ত করে।

এসডিজিগুলো এমনভাবে প্রণীত হয়েছে যেন সেগুলো পরস্পরের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত এবং অবিচ্ছেদ্য; যার অর্থ হলো, এক ক্ষেত্রে অর্জিত অগ্রগতি অন্য ক্ষেত্রগুলোর অগ্রগতিকে ত্বরান্বিত করবে। উদাহরণস্বরূপ, পরিচ্ছন্ন জ্বালানিতে বিনিয়োগ পরিবেশ সুরক্ষায় সহায়তা করে, আবার শিক্ষা ও লিঙ্গসমতায় বিনিয়োগ দারিদ্র্য বিমোচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

এসডিজিগুলো সর্বজনীন প্রকৃতির, অর্থাৎ কোনো দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের মাত্রা নির্বিশেষে এগুলো সব রাষ্ট্রের জন্যই প্রযোজ্য। এটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জনে প্রতিটি রাষ্ট্রের সক্রিয় অংশগ্রহণ আবশ্যক এবং এর মাধ্যমে একটি অধিকতর ন্যায়পরায়ণ ও টেকসই বিশ্ব অর্থনীতি গড়ে তোলা সম্ভব।

প্রেক্ষাপট

সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এমডিজি) ছিল আটটি অভিলক্ষ্যের একটি সমষ্টি, যা ২০০০ সালে জাতিসংঘ গ্রহণ করেছিল এবং এটি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) পূর্বসূরি। এমডিজি-র উদ্দেশ্য ছিল দারিদ্র্য, ক্ষুধা, রোগব্যাধি এবং মাতৃ ও শিশুমৃত্যুর হার কমিয়ে আনার পাশাপাশি শিক্ষা, বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন ব্যবস্থায় অভিগম্যতা বৃদ্ধি করা। যদিও এমডিজি এই ক্ষেত্রগুলোতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধন করেছিল, তথাপি এটি স্বীকৃত ছিল যে টেকসই উন্নয়নের বৃহত্তর চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলায় আরও ব্যাপক কর্মপরিকল্পনার প্রয়োজন।

সম্পর্কিত বিশ্লেষণ
টেকসই উন্নয়ন অভীষ্টসমূহ কী? এগুলোর প্রয়োজনীয়তা কতটুকু?

টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) হলো বৈশ্বিক ও সর্বজনীন লক্ষ্যমাত্রার একটি সুবিন্যস্ত রূপরেখা, যা সকল রাষ্ট্রের জন্য সমভাবে প্রযোজ্য। দারিদ্র্য বিমোচন, পরিবেশের সুরক্ষা এবং বিশ্বজুড়ে শান্তি ও সমৃদ্ধি নিশ্চিতকরণের মধ্য দিয়ে একটি উন্নততর মানবিক সমাজ বিনির্মাণই এই অভীষ্টগুলোর মূল উপজীব্য।

রাকিবুল ইসলাম • আইন
সম্পূর্ণ পড়ুন →

২০১২ সালে ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ টেকসই উন্নয়ন সম্মেলনে (রিও+২০) বিশ্বনেতারা টেকসই উন্নয়নের ভবিষ্যৎ রূপরেখা নিয়ে আলোচনা করেন। উক্ত সম্মেলনে এমডিজি-র পরিধি ছাড়িয়ে টেকসই উন্নয়নের বৃহত্তর ও বিস্তৃত বিষয়গুলো মোকাবিলার জন্য নতুন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হয়।

কারা এই উদ্যোগটি বাস্তবায়নে ভূমিকা রেখেছেন?

২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ টেকসই উন্নয়ন সম্মেলনে এসডিজি আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়। জাতিসংঘ এই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রাগুলো প্রণয়ন করেছে এবং ১৯৩টি সদস্যরাষ্ট্র ২০৩০ এজেন্ডার প্রতি ঐকমত্য পোষণ করেছে।

মৌলিক লেখা আহ্বান • CONTRIBUTORS WANTED

মেরুনপেপারে আপনার চিন্তাশীল ও গবেষণাধর্মী লেখা প্রকাশ করুন

আইন, রাজনীতি, দর্শন, অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতি বিষয়ে মৌলিক গবেষণা ও বিশ্লেষণ লিখে পৌঁছে দিন অনুসন্ধিৎসু পাঠকদের কাছে।

লেখা জমা দিন →

জাতিসংঘ এসডিজি প্রণয়ন প্রক্রিয়াটি তত্ত্বাবধান করেছে। এতে সরকার, সুশীল সমাজ, বেসরকারি খাত এবং বিভিন্ন একাডেমিক ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের বিশেষজ্ঞসহ বিস্তৃত অংশীজন সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছেন।

এসডিজি, এসডিজি-র বৈশিষ্ট্য

এসডিজি প্রণয়নে ‘ওপেন ওয়ার্কিং গ্রুপ অন সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোলস’ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। ২০১২ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ এই কমিটি গঠন করেছিল। সাধারণ পরিষদ কর্তৃক মনোনীত ৩০টি সদস্যরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা তাদের নিজস্ব সক্ষমতার ভিত্তিতে এই ওয়ার্কিং গ্রুপে কাজ করেছেন।

বিশেষ সুপারিশ
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা: উন্নত রাষ্ট্রসমূহের অঙ্গীকার ও প্রাপ্তি

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) হলো ১৭টি বৈশ্বিক অভিলক্ষ্যের এক সমন্বিত রূপরেখা, যা ২০১৫ সালে জাতিসংঘ কর্তৃক ‘২০৩০ এজেন্ডা ফর সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট’-এর অংশ হিসেবে অনুমোদিত হয়।

রাকিবুল ইসলাম • আইন
সম্পূর্ণ পড়ুন →

রিও+২০ সম্মেলন, টেকসই উন্নয়নের জন্য উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক ফোরাম এবং সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট সলিউশনস নেটওয়ার্ক—এসব আলোচনা ও প্রক্রিয়াই এসডিজি বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেছে।

সামগ্রিকভাবে, এসডিজি হলো বিভিন্ন পক্ষের সমন্বিত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রচেষ্টার ফসল এবং বিশ্বের সবচেয়ে জরুরি উন্নয়ন চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলায় এটি একটি বৈশ্বিক ঐকমত্যের প্রতিফলন।

এসডিজি-র বৈশিষ্ট্যগুলো কী কী?

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) বেশ কিছু মৌলিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা এগুলোকে পূর্ববর্তী উন্নয়ন কাঠামো থেকে আলাদা করে:

  • সামগ্রিক ও সমন্বিত দৃষ্টিভঙ্গি: এসডিজি স্বীকার করে যে, বিচ্ছিন্নভাবে কোনো সমস্যার সমাধান করে টেকসই উন্নয়ন অর্জন সম্ভব নয়। তাই এটি অর্থনৈতিক, সামাজিক ও পরিবেশগত আন্তঃসংযুক্ত সমস্যাগুলোর সমাধানকল্পে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
  • সর্বজনীন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক: এসডিজি ‘কাউকে পেছনে ফেলে নয়’—এই মন্ত্রে বিশ্বাসী। এটি সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর চাহিদা পূরণের ওপর গুরুত্ব দেয় এবং উন্নয়নের মাত্রা নির্বিশেষে সব রাষ্ট্র ও ব্যক্তির জন্য প্রযোজ্য।
  • দীর্ঘমেয়াদী ও উচ্চাভিলাষী: ২০৩০ সালের মধ্যে আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্যে এসডিজি দীর্ঘমেয়াদী অভিলক্ষ্য নির্ধারণ করেছে, যা পূর্ববর্তী উন্নয়ন কাঠামোর অর্জনের চেয়েও ব্যাপক।
  • তথ্যভিত্তিক: এসডিজি পরিমাপযোগ্য ও জবাবদিহিমূলক করে গড়ে তোলা হয়েছে। অগ্রগতি মূল্যায়নের জন্য এতে স্পষ্ট সূচক ও লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে, যা আধুনিক বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও তথ্যের ওপর ভিত্তি করে প্রণীত।
  • বহু-অংশীজন সম্পৃক্ততা: এসডিজি অর্জনের জন্য সরকার, সুশীল সমাজ, বেসরকারি খাত এবং ব্যক্তি পর্যায়ের বিভিন্ন অংশীজনকে সম্পৃক্ত করা অপরিহার্য।
  • প্যারিস চুক্তির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ: টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যগুলো যাতে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার প্রচেষ্টার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ থাকে, সেজন্য এসডিজি-কে জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনের অধীনে সম্পাদিত প্যারিস চুক্তির সাথে একীভূত করা হয়েছে।
  • তথ্য ও নজরদারির গুরুত্ব: এসডিজি দেশগুলোকে তথ্য সংগ্রহ ও ব্যবহারের সক্ষমতা বাড়াতে এবং লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী নিয়মিত প্রতিবেদন প্রদানের জন্য উৎসাহিত করে। এটি নিশ্চিত করে যে, গৃহীত নীতি ও পদক্ষেপগুলো নির্ভরযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং অগ্রগতির যথাযথ মূল্যায়ন সম্ভব হচ্ছে।

এসডিজি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি একটি টেকসই ও সাম্যভিত্তিক ভবিষ্যতের রূপকল্প প্রদান করে এবং সব অংশীজনকে সেই অভিলক্ষ্য অর্জনে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে অনুপ্রাণিত করে। বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে জরুরি উন্নয়ন সমস্যাগুলো মোকাবিলায় এবং ‘কাউকে পেছনে ফেলে রাখা যাবে না’—এই দর্শনকে বাস্তবে রূপ দিতে এসডিজি একটি অপরিহার্য হাতিয়ার।

রেটিং

(নতুন)

শেয়ার

পাঠকের মন্তব্য ও পর্যালোচনা

(০)
মন্তব্য করতে Google বা Facebook দিয়ে লগইন করা আবশ্যক
রাকিবুল ইসলাম
রাকিবুল ইসলাম

লেখক (Author)

আইন, রাজনীতি, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও সমাজতত্ত্বের অনুসন্ধিৎসু গবেষক ও লেখক। মেরুনপেপারের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান কন্ট্রিবিউটর হিসেবে নিয়মিত সমসাময়িক ভূ-রাজনীতি ও সাংবিধানিক বিষয়াবলী নিয়ে লিখছেন।

সম্পর্কিত নিবন্ধ

আরও দেখুন →
টেকসই উন্নয়ন অভীষ্টসমূহ কী? এগুলোর প্রয়োজনীয়তা কতটুকু?আইন

টেকসই উন্নয়ন অভীষ্টসমূহ কী? এগুলোর প্রয়োজনীয়তা কতটুকু?

টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) হলো বৈশ্বিক ও সর্বজনীন লক্ষ্যমাত্রার একটি সুবিন্যস্ত রূপরেখা, যা সকল রাষ্ট্রের জন্য সমভাবে প্রযোজ্য। দারিদ্র্য বিমোচন, পরিবেশের সুরক্ষা এবং বিশ্বজুড়ে শান্তি ও সমৃদ্ধি নিশ্চিতকরণের মধ্য দিয়ে একটি উন্নততর মানবিক সমাজ বিনির্মাণই এই অভীষ্টগুলোর মূল উপজীব্য।

২৬ জানুয়ারি ২০২৩পড়ুন →
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা: উন্নত রাষ্ট্রসমূহের অঙ্গীকার ও প্রাপ্তিআইন

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা: উন্নত রাষ্ট্রসমূহের অঙ্গীকার ও প্রাপ্তি

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) হলো ১৭টি বৈশ্বিক অভিলক্ষ্যের এক সমন্বিত রূপরেখা, যা ২০১৫ সালে জাতিসংঘ কর্তৃক ‘২০৩০ এজেন্ডা ফর সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট’-এর অংশ হিসেবে অনুমোদিত হয়।

২৬ জানুয়ারি ২০২৩পড়ুন →
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা: আমাদের জানাশোনা ও বৈশ্বিক অগ্রগতির সমীকরণআইন

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা: আমাদের জানাশোনা ও বৈশ্বিক অগ্রগতির সমীকরণ

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) গৃহীত হওয়ার পর থেকে অভীষ্ট অর্জনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। ২০১৫ সালে এই বৈশ্বিক অঙ্গীকার গ্রহণের পর থেকে বাংলাদেশ এসডিজি বাস্তবায়নের প্রতিটি ধাপেই প্রশংসনীয় সাফল্য প্রদর্শন করেছে।

২৬ জানুয়ারি ২০২৩পড়ুন →
সিভিল ল কী? উৎপত্তি, ঐতিহাসিক বিকাশ এবং প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহআইন

সিভিল ল কী? উৎপত্তি, ঐতিহাসিক বিকাশ এবং প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ

ইউরোপের মূল ভূখণ্ডে উদ্ভূত এবং রোমান আইনের দর্শনে ঋদ্ধ সিভিল ল বিশ্বজুড়ে সর্বাধিক প্রচলিত একটি আইনি ব্যবস্থা। বিধিবদ্ধ আইনের কাঠামো ও ইনকুইজিটোরিয়াল বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এটি কমন ল থেকে সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র।

২৫ আগস্ট ২০২৩পড়ুন →

মেরুনপেপারের সাথে যুক্ত থাকুন

আইন, রাজনীতি, ইতিহাস ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বিশ্লেষণধর্মী সেরা প্রবন্ধগুলো প্রতি সপ্তাহে সরাসরি আপনার ইনবক্সে পেতে সাবস্ক্রাইব করুন।

আমরা স্প্যাম করি না। যেকোনো সময় আনসাবস্ক্রাইব করতে পারবেন।