আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালতে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে দক্ষিণ আফ্রিকার মামলা
গত ২৯ শে ডিসেম্বরে জাতিসংঘের প্রধান অংগ সংগঠন আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালতে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে দক্ষিণ আফ্রিকার মামলা দায়ের করে বেশ সাহসী একটি পদক্ষেপ নিয়েছে।
রাজনীতি ক্যাটাগরিতে আমরা পাঠকদের জন্য দেশের ও আন্তর্জাতিক রাজনীতির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরবো। এখানে থাকবে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ঘটনার বিশ্লেষণ, রাজনীতিবিদদের জীবনী এবং তাদের কার্যকলাপের পর্যালোচনা। এছাড়া নির্বাচন, রাজনৈতিক কৌশল ও নীতি নির্ধারণ সম্পর্কিত নিবন্ধ এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের আলোচনা থাকবে। আমাদের লক্ষ্য হলো পাঠকদেরকে রাজনৈতিক বিষয়ে সুস্পষ্ট ধারণা দেওয়া এবং সমসাময়িক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বুঝতে সাহায্য করা।
গত ২৯ শে ডিসেম্বরে জাতিসংঘের প্রধান অংগ সংগঠন আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালতে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে দক্ষিণ আফ্রিকার মামলা দায়ের করে বেশ সাহসী একটি পদক্ষেপ নিয়েছে।
জাতীয়তাবাদ হলো একটি জাতি বা সম্প্রদায়ের লোকদের আনুগত্য, পরিচয় এবং স্বার্থের উপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা রাজনৈতিক মতাদর্শ বা প্রবণতা যাদের মধ্যে একটি সাধারণ সংস্কৃতি, ইতিহাস, ভাষা বা ধর্ম বিরাজমান।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যকার সম্পর্ককে প্রায়শই ‘অবিচ্ছেদ্য’ হিসেবে চিত্রিত করা হয়। কয়েক দশক ধরে নানা চড়াই-উতরাই ও ভূ-রাজনৈতিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়েও এই অংশীদারিত্ব টিকে রয়েছে। কিন্তু ঠিক কী কারণে ওয়াশিংটন ধারাবাহিকভাবে ইসরায়েলের পাশে দাঁড়িয়েছে? এর পেছনে নিহিত মূল কারণগুলো কী?
ফিলিস্তিনের ভূমিতে শতাব্দীর দীর্ঘ দখলদারিত্ব, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং ফিলিস্তিনিদের ওপর সংঘটিত পাশবিকতার নেপথ্য চালিকাশক্তি: জায়নবাদী চরমপন্থা, বর্ণবাদী শাসন এবং আমেরিকার নিঃশর্ত সামরিক ও কূটনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা।
‘হামাস’ একটি আরবি শব্দ, যার অর্থ ‘গভীর অনুরাগ’ বা ‘উদ্দীপনা’। এটি একই সাথে ‘ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স মুভমেন্ট’-এর সংক্ষিপ্ত রূপ। সংগঠনটি মূলত সুন্নি ইসলামপন্থী মতাদর্শে বিশ্বাসী একটি ফিলিস্তিনি জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক ও সশস্ত্র গোষ্ঠী।
ঘটনাপ্রবাহের এক অভাবনীয় মোড়কে, ফিলিস্তিনি গোষ্ঠী হামাস ইসরায়েলের ভূখণ্ডে এক দুঃসাহসী ও বহুমুখী সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছে।
ন্যাটো বা উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে গঠিত একটি আঞ্চলিক সামরিক সহযোগিতার জোট। ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত এই সামরিক জোটটি পৃথিবীর সর্ব বৃহৎ ও কার্যকর আঞ্চলিক সামরিক জোট।
২০২৩ সালের জুলাই মাসে ভারতের হরিয়ানা রাজ্যের নুহ ও গুরুগ্রামে হিন্দুত্ববাদী উগ্রপন্থীদের উসকানিমূলক শোভাযাত্রাকে কেন্দ্র করে ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়ে। মসজিদ জ্বালিয়ে ইমাম হত্যা এবং বুলডোজার দিয়ে মুসলিমদের উচ্ছেদ—মোদি শাসনামলে ধর্মনিরপেক্ষ ভারতের চরম বিপর্যয়ের চিত্র।
ইসরায়েলি রাজনীতির প্রেক্ষাপটে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নামটি আজ ক্ষমতা, বিতর্ক এবং বিভাজনমূলক নীতির সমার্থক হয়ে উঠেছে।
কন্যাকুমারী থেকে কাশ্মীর পর্যন্ত ৪,০৮০ কিলোমিটারের দীর্ঘ পদযাত্রা—ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের 'ভারত জোড়ো যাত্রা' কীভাবে হিন্দুত্ববাদী মেরুকরণের বিরুদ্ধে এক বিকল্প রাজনৈতিক বয়ান তৈরি করেছে, তার গভীর রাজনৈতিক ও সামাজিক বিশ্লেষণ।
আন্তর্জাতিক সমস্যাগুলোর মধ্যে পশতুনিস্তান সমস্যা অন্যতম যা গত শতাব্দীর পঞ্চাশের দশক থেকে আজও অমিমাংসিত অবস্থায় বিষবাষ্প ছড়াচ্ছে। পশতুনিস্তান, পাকতুনিস্তান নামেও পরিচিত যার অর্থ “পশতুদের দেশ”।
সাইপ্রাস, ভূমধ্যসাগরের একটি দ্বীপ যা তুরস্কের উপকূল হতে মাত্র ৪০ মাইল দূরে অবস্থিত। এ দ্বীপটির উত্তরাংশে তুর্কি বংশোদ্ভুত মুসলিম এবং দক্ষিণাংশে গ্রীক বংশোদ্ভূত খৃষ্টান জাতি বসতি গড়ে তুলেছিল। বিভিন্ন বিষয়ে মত পার্থক্যের কারণে উভয়ের মাঝে সৃষ্টি হয় বিদ্বেষ ও হিংসাত্মক সম্পর্কের যা গত দু’দশকেরও বেশি সময় ধরে ভূমধ্যসাগরীয় এলাকার শান্তি ও নিরাপত্তার পথে বাঁধা হয়ে উঠেছে।
গত ২৪ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার একেবারে ঘোষণা দিয়েই রাশিয়া আক্রমন শুরু করেছে। উত্তরে বেলারুশ, দক্ষিনে ক্রিমিয়া, কৃষ্ণ সাগর আর পুর্বে সদ্য স্বাধীনতা প্রাপ্ত দোনেটস্ক ও লুহান্সক থেকে এই আক্রমন শুরু হয়েছে। স্থল, আকাশ ও জলসীমা ব্যবহার করে ক্রেমলিনের বহুমুখি এই আক্রমনে ইউক্রেন বিপর্যস্ত হওয়ার মুখোমুখি হয়ে পড়েছে।
গত বুধবার ভারতের কর্ণাটকের মেয়ে মুসকান খান বেশ ঝড় তুলেছে, প্রতিবাদের ঝড়। এবং এই ঝড়কে প্রতিরোধের ঝড় বলাটাও মনে হয়না ভুল হবে। আর এই ঝড়ের ঝড়ো হাওয়া ভারতের প্রতিবেশীদের নাড়িয়ে দিয়েও সারা বিশ্ব দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। সারা বিশ্ব মুগ্ধ মুসকানের এই প্রলয়ঙ্করী আবির্ভাবে। যে গুণ নিজের জন্য আবশ্যক হলেও, যারা ঘরের কোনে ঘাপটি মেরে বসে থাকে তবু প্রতিবাদ করে না অন্যায়ের, তারাও মুসকানের এই ‘একাই একশো’ রূপ দেখে বিমুগ্ধ, বিমোহিত।
কয়েক বছর আগেই, ২০১৪ সালে ইউক্রেন আক্রমন করে ক্রিমিয়া দখল করে নেয় রাশিয়া। আবার এই ২০২২ সালে এসেও হম্বিতম্বি করছে ইউক্রেন সীমান্তে দাঁড়িয়ে। আমেরিকা ও ন্যাটোর দাবি বলছে, খুব শীঘ্রই যেকোন দিন রাশিয়া আগেরবারের মত আবারো ইউক্রেন আক্রমন করতে যাচ্ছে।