Switch language / ভাষা পরিবর্তন করুন

তারিক বিন জিয়াদঃ স্পেন বিজয়ী মুসলিম সেনাপতির জীবনী

সারকথা

তারিক বিন জিয়াদ ছিলেন আন্দালুসিয়া বিজয়ের মহানায়ক। জানুন ৭১১ সালে তার স্পেন অভিযান, জাহাজ পোড়ানোর ঘটনা এবং গুয়াদালেতের যুদ্ধের রোমাঞ্চকর ইতিহাস।

সানজিদা সীমা
লিখেছেন:সানজিদা সীমা
প্রকাশিত: ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫•পড়তে ৬ মিনিট লাগবে
তারিক বিন জিয়াদঃ স্পেন বিজয়ী মুসলিম সেনাপতির জীবনী

ইসলামের সোনালী যুগের ইতিহাসে যে কয়জন সেনাপতি তাদের অসামান্য বীরত্ব এবং রণকৌশলের জন্য চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন, তারিক বিন জিয়াদ (Tariq bin Ziyad) তাদের মধ্যে অন্যতম। ৭১১ খ্রিস্টাব্দে আইবেরিয়ান উপদ্বীপ বা বর্তমান স্পেন ও পর্তুগাল বিজয়ের মাধ্যমে তিনি ইউরোপের মাটিতে মুসলিম শাসনের বাতিঘর 'আন্দালুসিয়া'-এর ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন। তিনি কেবল একজন যোদ্ধা ছিলেন না, বরং তিনি ছিলেন সেই মহানায়ক যিনি ভিসিগোথিক অত্যাচারী শাসনের কবল থেকে সাধারণ মানুষকে মুক্ত করে এক নতুন সভ্যতার সূচনা করেছিলেন। এই নিবন্ধে আমরা ইতিহাসের এই অবিসংবাদিত বীরের জীবন, স্পেন অভিযান এবং তার রেখে যাওয়া কীর্তি সম্পর্কে বিস্তারিত জানব।

এক নজরে তারিক বিন জিয়াদ

  • নাম: তারিক বিন জিয়াদ
  • পরিচিতি: স্পেন বিজয়ী মুসলিম সেনাপতি
  • উল্লেখযোগ্য অর্জন: ভিসিগথদের পরাজিত করে আন্দালুসিয়া প্রতিষ্ঠা (৭১১ খ্রি:)
  • বিখ্যাত যুদ্ধ: গুয়াদালেতের যুদ্ধ
  • ঐতিহাসিক স্থান: জিব্রাল্টার (জাবাল আল তারিক)
  • মৃত্যু: আনুমানিক ৭২০ খ্রিস্টাব্দ

প্রাথমিক জীবন এবং সামরিক উত্থান

তারিক বিন জিয়াদ-এর জন্ম ও বংশপরিচয় নিয়ে ঐতিহাসিকদের মধ্যে কিছুটা মতভেদ থাকলেও, নির্ভরযোগ্য সূত্রমতে তিনি ছিলেন উত্তর আফ্রিকার বারবার (Berber) গোত্রের সন্তান। তার জন্ম হয়েছিল আনুমানিক ৬৭০ খ্রিস্টাব্দে।

ইসলাম গ্রহণ করার পর তিনি উমাইয়া খিলাফতের উত্তর আফ্রিকার গভর্নর মুসা বিন নুসাইর-এর সেনাবাহিনীতে যোগদান করেন। তারিক তার মেধা, সততা এবং সাহসিকতার মাধ্যমে দ্রুত মুসা বিন নুসাইরের আস্থাভাজন হয়ে ওঠেন।

তার অসামান্য যোগ্যতার প্রমাণস্বরূপ মুসা তাকে উত্তর আফ্রিকার গুরুত্বপূর্ণ শহর তানজিয়ারের গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দেন। এখান থেকেই মূলত তারিকের বিশ্বজয়ের স্বপ্নের সূচনা হয়।

স্পেন বিজয়ের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট

অষ্টম শতাব্দীর শুরুতে স্পেন বা হিস্পানিয়া শাসন করত ভিসিগোথ রাজা রডারিক (Roderic)। রডারিকের শাসনকাল ছিল অরাজকতা, অত্যাচার এবং নৈতিক অবক্ষয়ে পূর্ণ। রাজ্যের সাধারণ প্রজা এবং ইহুদিরা তার অত্যাচারে অতিষ্ঠ ছিল।

সম্পর্কিত বিশ্লেষণ
কার্ল মার্কসের বিপ্লবী চিন্তা ও তাঁর দর্শনের প্রাসঙ্গিকতা

কার্ল মার্কসের প্রধান তত্ত্বগুলির মধ্যে রয়েছে দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ, ঐতিহাসিক বস্তুবাদ, শ্রেণি সংগ্রাম, পুঁজিবাদী শোষণ এবং সাম্যবাদ।

রাকিবুল ইসলাম • জীবনী
সম্পূর্ণ পড়ুন →

ইতিহাসের মোড় ঘুরে যায় যখন সিউটার (Ceuta) গভর্নর কাউন্ট জুলিয়ান রাজা রডারিকের ওপর ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য মুসা বিন নুসাইরের কাছে সাহায্য প্রার্থনা করেন। জুলিয়ান মুসলিম বাহিনীকে স্পেন আক্রমণের জন্য আমন্ত্রণ জানান। খলিফা আল-ওয়ালিদের অনুমতি সাপেক্ষে মুসা বিন নুসাইর তারিক বিন জিয়াদকে এই ঐতিহাসিক অভিযানের নেতৃত্ব দেন।

জিব্রাল্টারে অবতরণ ও তারিকের ঐতিহাসিক ভাষণ

৭১১ খ্রিস্টাব্দের বসন্তকালে (রজব মাস, ৯২ হিজরি) তারিক বিন জিয়াদ প্রায় ৭,০০০ বারবার সৈন্যের একটি বাহিনী নিয়ে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেন। তিনি স্পেনের দক্ষিণ উপকূলে একটি বিশাল পাহাড়ের পাদদেশে অবতরণ করেন। এই পাহাড়টিই পরবর্তীতে তার নামানুসারে 'জাবাল আল তারিক' বা তারিকের পাহাড় নামে পরিচিতি লাভ করে, যা আজ লোকমুখে 'জিব্রাল্টার' (Gibraltar) নামে সারা বিশ্বে পরিচিত।

স্পেনের মাটিতে পা রাখার পর তারিক বুঝতে পেরেছিলেন যে, সামনে এক বিশাল ও শক্তিশালী শত্রু অপেক্ষা করছে। সৈন্যদের মনোবল অটুট রাখতে এবং পিছু হটার সমস্ত চিন্তা মন থেকে মুছে ফেলার জন্য তিনি এক ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নেন বলে জনশ্রুতি রয়েছে। তিনি নিজেদের বহনকারী জাহাজগুলো পুড়িয়ে ফেলার নির্দেশ দেন এবং সৈন্যদের উদ্দেশ্যে সেই কালজয়ী ভাষণ প্রদান করেন:

মৌলিক লেখা আহ্বান • CONTRIBUTORS WANTED

মেরুনপেপারে আপনার চিন্তাশীল ও গবেষণাধর্মী লেখা প্রকাশ করুন

আইন, রাজনীতি, দর্শন, অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতি বিষয়ে মৌলিক গবেষণা ও বিশ্লেষণ লিখে পৌঁছে দিন অনুসন্ধিৎসু পাঠকদের কাছে।

লেখা জমা দিন →

"হে আমার যোদ্ধারা! পালাবার পথ কোথায়? তোমাদের পেছনে উত্তাল সাগর আর সামনে অগণিত শত্রু। আল্লাহর কসম! এখন তোমাদের জন্য কেবল দুটি পথ খোলা. হয় ধৈর্য ও বীরত্বের সাথে বিজয় ছিনিয়ে আনা, নয়তো শাহাদাত বরণ করা।"

গুয়াদালেতের যুদ্ধ: ইতিহাসের মোড় ঘোরানো লড়াই

তারিক বিন জিয়াদের উপস্থিতির খবর পেয়ে রাজা রডারিক উত্তর থেকে প্রায় ১,০০,০০০ (এক লক্ষ) সৈন্যের বিশাল বাহিনী নিয়ে তাকে প্রতিহত করতে ছুটে আসেন। ইতিমধ্যে তারিকের সাহায্যের জন্য মুসা বিন নুসাইর আরও ৫,০০০ সৈন্য প্রেরণ করেন, ফলে তারিকের মোট সৈন্যসংখ্যা দাঁড়ায় ১২,০০০-এ।

১৯ জুলাই ৭১১ খ্রিস্টাব্দে, রমজান মাসে গুয়াদালেত নদীর তীরে (Battle of Guadalete) দুই বাহিনী মুখোমুখি হয়। এক সপ্তাহ ধরে চলা এই রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে তারিক বিন জিয়াদ তার অসামান্য রণকৌশল প্রদর্শন করেন। ভিসিগোথ বাহিনীর বিশৃঙ্খলা এবং রডারিকের প্রতি তার নিজ বাহিনীর একাংশের বিশ্বাসঘাতকতা যুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। তারিকের ক্ষিপ্রগতির অশ্বারোহী বাহিনী ভিসিগোথদের ব্যূহ ভেদ করে ফেলে। শেষ পর্যন্ত মুসলিম বাহিনী এক অভাবীয় বিজয় অর্জন করে এবং রাজা রডারিক এই যুদ্ধে পরাজিত ও নিহত হন। গুয়াদালেতের এই বিজয়ই স্পেনে মুসলিম শাসনের দ্বার উন্মুক্ত করে দেয়।

বিশেষ সুপারিশ
শেখ মুজিবুর রহমানঃ দূরদর্শী নেতা নাকি ক্ষমতার অলিন্দে হারিয়ে যাওয়া এক স্বপ্নদ্রষ্টা?

শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন ছিল একদিকে সংগ্রাম ও বিপ্লবের প্রতীক, অন্যদিকে ক্ষমতার প্রতি এক অনিবার্য আকর্ষণও কিছু গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যর্থতার প্রতিচ্ছবি।

রাকিবুল ইসলাম • জীবনী
সম্পূর্ণ পড়ুন →

টলেডো বিজয় এবং আন্দালুসিিয়া প্রতিষ্ঠা

গুয়াদালেতের যুদ্ধের পর তারিক কালক্ষেপণ না করে স্পেনের রাজধানীর দিকে অগ্রসর হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তিনি তার বাহিনীকে ছোট ছোট দলে ভাগ করে কর্ডোবা, মালাগা এবং গ্রানাডার মতো গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলো দখলের নির্দেশ দেন এবং নিজে মূল বাহিনী নিয়ে তৎকালীন স্পেনের রাজধানী টলেডো (Toledo) অভিমুখে যাত্রা করেন। ভিসিগোথরা এতটাই ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছিল যে, তারা কোনো বড় প্রতিরোধ ছাড়াই টলেডো সমর্পণ করে।

পরবর্তীতে ৭১২ খ্রিস্টাব্দে মুসা বিন নুসাইর ১৮,০০০ সৈন্যের একটি বড় বাহিনী নিয়ে স্পেনে আসেন এবং তারিকের সাথে মিলিত হন। তারা দুজন মিলে সারাগোসা, বার্সেলোনা এবং লিওনের মতো অঞ্চলগুলো বিজয় করেন। এভাবেই আইবেরিয়ান উপদ্বীপে প্রতিষ্ঠিত হয় 'আন্দালুসিয়া', যা পরবর্তী ৮০০ বছর ধরে ইউরোপে জ্ঞান, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতির কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে টিকে ছিল।

দামেস্কে প্রত্যাবর্তন এবং শেষ জীবন

একজন সফল বিজয়ী হিসেবে তারিক বিন জিয়াদের শেষ জীবন রাজকীয় সম্মানে কাটার কথা থাকলেও, বাস্তবতা ছিল ভিন্ন। ৭১৪ খ্রিস্টাব্দে খলিফা আল-ওয়ালিদ তারিক এবং মুসা উভয়কেই দামেস্কে তলব করেন। খলিফার নির্দেশে তারা স্পেনের শাসনভার ত্যাগ করে দামেস্কে ফিরে যান। সেখানে রাজনৈতিক পটপরিবর্তন এবং খলিফা সুলাইমানের শাসনকালে এই মহান সেনাপতিকে অনেকটা নিভৃতেই জীবন কাটাতে হয়। আনুমানিক ৭২০ খ্রিস্টাব্দে দামেস্কে তিনি ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুর সময় তার কোনো সম্পদ বা ক্ষমতা ছিল না, কিন্তু তিনি রেখে গিয়েছিলেন এক অমর ইতিহাস।

তারিক বিন জিয়াদ সাহসিকতা, দৃঢ়তা এবং ইমানের এক মূর্ত প্রতীক। তার নেতৃত্বে স্পেন বিজয় ইউরোপের অন্ধকার যুগে আলোর মশাল জ্বালিয়েছিল। তার স্থাপিত আন্দালুসিয়া থেকেই পরবর্তীতে ইউরোপে রেনেসাঁ বা জাগরণের সূচনা হয়েছিল। ইতিহাসের পাতায় তার নাম হয়তো সোনার অক্ষরে লেখা আছে, কিন্তু তার চেয়েও বড় সত্য হলো— তিনি প্রমাণ করে গিয়েছেন যে, সংখ্যার চেয়ে সাহসিকতা এবং লক্ষ্য যদি অটুট থাকে, তবে বিজয় অনিবার্য।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)

১. তারিক বিন জিয়াদ কে ছিলেন?

তারিক বিন জিয়াদ ছিলেন উমাইয়া খিলাফতের একজন বারবার বংশোদ্ভূত মুসলিম সেনাপতি, যিনি ৭১১ সালে স্পেন বিজয়ের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।

২. জিব্রাল্টার পাহাড়ের নামকরণ কার নামে করা হয়?

তারিক বিন জিয়াদের নামানুসারে জিব্রাল্টার পাহাড়ের নামকরণ করা হয়। আরবিতে এর নাম 'জাবাল আল তারিক' (তারিকের পাহাড়), যা কালক্রমে 'জিব্রাল্টার' হয়েছে।

৩. তারিক বিন জিয়াদ কেন জাহাজ পুড়িয়েছিলেন?

সৈন্যদের মনে পিছু হটার বা পালিয়ে যাওয়ার চিন্তা দূর করে বিজয়ের জন্য মরিয়া করে তুলতেই তিনি জাহাজ পোড়ানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন বলে ইতিহাসে বর্ণিত আছে।

৪. গুয়াদালেতের যুদ্ধ কবে সংঘটিত হয়?

৭১১ খ্রিস্টাব্দের ১৯ জুলাই গুয়াদালেত নদীর তীরে তারিক বিন জিয়াদ এবং রাজা রডারিকের বাহিনীর মধ্যে এই ঐতিহাসিক যুদ্ধ সংঘটিত হয়।

রেটিং

(নতুন)

শেয়ার

পাঠকের মন্তব্য ও পর্যালোচনা

(০)
মন্তব্য করতে Google বা Facebook দিয়ে লগইন করা আবশ্যক
সানজিদা সীমা
সানজিদা সীমা

গবেষক ও লেখক

ইতিহাস, সমাজ ও সংস্কৃতির গবেষক। নদী, ঐতিহ্য ও প্রান্তিক মানুষের অধিকার নিয়ে গবেষণাধর্মী প্রবন্ধ ও বিশ্লেষণ রচনা করেন।

সম্পর্কিত নিবন্ধ

আরও দেখুন →
কার্ল মার্কসের বিপ্লবী চিন্তা ও তাঁর দর্শনের প্রাসঙ্গিকতাজীবনী

কার্ল মার্কসের বিপ্লবী চিন্তা ও তাঁর দর্শনের প্রাসঙ্গিকতা

কার্ল মার্কসের প্রধান তত্ত্বগুলির মধ্যে রয়েছে দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ, ঐতিহাসিক বস্তুবাদ, শ্রেণি সংগ্রাম, পুঁজিবাদী শোষণ এবং সাম্যবাদ।

১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪পড়ুন →
শেখ মুজিবুর রহমানঃ দূরদর্শী নেতা নাকি ক্ষমতার অলিন্দে হারিয়ে যাওয়া এক স্বপ্নদ্রষ্টা?জীবনী

শেখ মুজিবুর রহমানঃ দূরদর্শী নেতা নাকি ক্ষমতার অলিন্দে হারিয়ে যাওয়া এক স্বপ্নদ্রষ্টা?

শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন ছিল একদিকে সংগ্রাম ও বিপ্লবের প্রতীক, অন্যদিকে ক্ষমতার প্রতি এক অনিবার্য আকর্ষণও কিছু গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যর্থতার প্রতিচ্ছবি।

১৮ জুলাই ২০২৩পড়ুন →
নোয়াম চমস্কি: এই শতাব্দীর সবচেয়ে বিতর্কিত ও রূঢ়ভাষী প্রবক্তাজীবনী

নোয়াম চমস্কি: এই শতাব্দীর সবচেয়ে বিতর্কিত ও রূঢ়ভাষী প্রবক্তা

নোয়াম চমস্কি একাধারে ভাষাতত্ত্ববিদ, দার্শনিক ও রাজনৈতিক সক্রিয়তাবাদী। বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রভাবশালী এই ব্যক্তিত্ব সারাজীবন নিপীড়িত মানুষের পক্ষে দাঁড়িয়েছেন এবং জায়নবাদী ও ইউরোপীয় সাম্রাজ্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে উচ্চকণ্ঠ থেকেছেন।

২৮ জানুয়ারি ২০২৩পড়ুন →
নেলসন ম্যান্ডেলাঃ আফ্রিকার বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলনের মহানায়কজীবনী

নেলসন ম্যান্ডেলাঃ আফ্রিকার বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলনের মহানায়ক

নেলসন ম্যান্ডেলার জন্ম থেকে মৃত্যু, বর্ণবাদবিরোধী সংগ্রাম, ২৭ বছরের কারাজীবন এবং দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ রাষ্ট্রপতি হওয়ার রোমাঞ্চকর ইতিহাস জানুন।

৪ আগস্ট ২০২২পড়ুন →

মেরুনপেপারের সাথে যুক্ত থাকুন

আইন, রাজনীতি, ইতিহাস ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বিশ্লেষণধর্মী সেরা প্রবন্ধগুলো প্রতি সপ্তাহে সরাসরি আপনার ইনবক্সে পেতে সাবস্ক্রাইব করুন।

আমরা স্প্যাম করি না। যেকোনো সময় আনসাবস্ক্রাইব করতে পারবেন।