তাত্ত্বিক ভাষাবিজ্ঞান, জ্ঞানীয় মনোবিজ্ঞান এবং রাষ্ট্রীয় দর্শনের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলো নোম চমস্কির গবেষণাকর্মের মাধ্যমে গভীরভাবে উপকৃত হয়েছে। তিনি একাধারে বিশিষ্ট ভাষাবিদ, দার্শনিক এবং রাজনৈতিক কর্মী। বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রভাবশালী এই ব্যক্তিত্ব ১৯২৮ সালের ৭ ডিসেম্বর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়ার ফিলাডেলফিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা উইলিয়াম চমস্কি ছিলেন হিব্রু ভাষার একজন প্রখ্যাত পণ্ডিত ও শিক্ষক, এবং মা এলসি সাইমনফ চমস্কি।
চমস্কি ১৯৪৯ সালে ভাষাবিদ ও শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ক্যারল ডরিস শ্যাটজকে বিবাহ করেন। তাঁদের সংসারে হ্যারি, ডায়ান এবং আভিভা নামে তিন সন্তান রয়েছে।
প্রাথমিক জীবন
চমস্কি একটি ইহুদি পরিবারে বেড়ে ওঠেন এবং তাঁর বাবার হিব্রু ভাষা বিষয়ক গবেষণার দ্বারা তিনি বিশেষভাবে প্রভাবিত হয়েছিলেন। তাঁর মা হিব্রু সাহিত্য পড়াতেন এবং বাবা উইলিয়াম চমস্কি হিব্রু ও আরামীয় ভাষাতত্ত্বের একজন প্রামাণিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন। শিক্ষা ও বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চায় গুরুত্বারোপকারী একটি পরিবেশে বেড়ে ওঠা চমস্কির বৌদ্ধিক বিকাশে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে।
প্রাথমিক শিক্ষার জন্য তিনি ফিলাডেলফিয়ার ওক লেন কান্ট্রি ডে স্কুল এবং সেন্ট্রাল হাই স্কুলে পড়াশোনা করেন। অল্প বয়স থেকেই দর্শন ও ভাষাবিজ্ঞানের প্রতি তাঁর আগ্রহ জন্মে। তিনি পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা অব্যাহত রাখেন, যেখান থেকে যথাক্রমে ১৯৪৯ ও ১৯৫১ সালে ভাষাবিজ্ঞানে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে ১৯৫৫ সালে ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (এমআইটি) থেকে তিনি পিএইচডি ডিগ্রি সম্পন্ন করেন।
কর্মজীবন
চমস্কির কর্মজীবন অত্যন্ত বর্ণাঢ্য ও ফলপ্রসূ। ১৯৫৫ সালে ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজিতে (এমআইটি) শিক্ষকতা শুরু করার পর থেকে তিনি সেখানেই অধ্যাপনা করে আসছেন। তিনি ন্যাশনাল একাডেমি অফ সায়েন্সেস এবং আমেরিকান একাডেমি অফ আর্টস অ্যান্ড সায়েন্সেস—উভয় প্রতিষ্ঠানেরই ফেলো হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
চমস্কির ভাষাতাত্ত্বিক তত্ত্ব অনুযায়ী, ভাষার কাঠামো সর্বজনীন এবং ভাষা শেখা একটি সহজাত দক্ষতা। ১৯৫৭ সালে প্রকাশিত তাঁর "সিনট্যাকটিক স্ট্রাকচারস" গ্রন্থে তিনি 'জেনারেটিভ গ্রামার' বা উৎপাদনশীল ব্যাকরণ তত্ত্বের মূলনীতিসমূহ উপস্থাপন করেন। এই তত্ত্ব অনুসারে, মানুষের মস্তিষ্কে ভাষাগত ব্যাকরণ একগুচ্ছ নিয়মের সমন্বয়ে গঠিত, যা সেই ভাষায় অগণিত বাক্য নির্মাণের সক্ষমতা রাখে।
চমস্কি চিরাচরিত ধ্যান-ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করার জন্য এবং স্বাধীন চিন্তাশীলতার জন্য সুপরিচিত। তাঁর উদ্ভাবিত 'জেনারেটিভ গ্রামার' তাত্ত্বিক ভাষাবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে এক বৈপ্লবিক সংযোজন। ভাষা ও মনের পারস্পরিক সম্পর্ক এবং ভাষা অর্জনের সহজাত প্রকৃতি নিয়ে গবেষণার মাধ্যমে তিনি জ্ঞানীয় মনোবিজ্ঞানের জগতেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।
রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি
নিজস্ব গবেষণাকর্মের পাশাপাশি চমস্কি জীবনব্যাপী রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে নিবেদিত থেকেছেন। বিশেষ করে ভিয়েতনাম যুদ্ধ এবং লাতিন আমেরিকা ও মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির তিনি কঠোর সমালোচক। একইসঙ্গে তিনি কর্পোরেট গণমাধ্যমের ওপরও সমালোচনা করেছেন, যারা জনমত গঠন ও সরকারি-বেসরকারি স্বার্থ রক্ষায় ভূমিকা রাখে।
তারিক বিন জিয়াদ ছিলেন আন্দালুসিয়া বিজয়ের মহানায়ক। জানুন ৭১১ সালে তার স্পেন অভিযান, জাহাজ পোড়ানোর ঘটনা এবং গুয়াদালেতের যুদ্ধের রোমাঞ্চকর ইতিহাস।
রাজনীতি ও গণমাধ্যম সম্পর্কে তাঁর প্রথাগত ধারার বাইরের মতামতের জন্য অনেক ক্ষেত্রে সমালোচিত হলেও, অনেকেই তাঁর চিন্তাধারাকে অত্যন্ত উদ্দীপক ও অনুপ্রেরণাদায়ক বলে মনে করেন। ভাষাবিজ্ঞানে তাঁর অবদান এবং সক্রিয় রাজনৈতিক ভূমিকার জন্য তিনি বিশ্বজুড়ে সমাদৃত।
বিংশ শতাব্দীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব হিসেবে স্বীকৃত চমস্কি এখনো বিভিন্ন বিষয়ে নিরন্তর লিখে ও বলে চলেছেন। তিনি ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে এমআইটির প্রফেসর ইমেরিটাস হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
মার্কিন প্রশাসনের একাংশ নোম চমস্কির রাজনৈতিক অবস্থানের সমালোচনা করেছে, বিশেষ করে মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির কঠোর সমালোচনা এবং ফিলিস্তিনি জনগণের অধিকারের পক্ষে তাঁর অকুণ্ঠ সমর্থনের কারণে।
তাঁর কঠোর রাজনৈতিক অবস্থানের কারণে তাঁকে কর্তৃপক্ষের নজরদারি ও হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। ফেডারেল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই) এবং সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি (সিআইএ)-এর নথিপত্রে তাঁর নাম উঠে এসেছে এবং রাজনৈতিক মতাদর্শের কারণে অনেক দেশেই তাঁর প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
ফিলিস্তিনি সংগ্রামের এক অস্বস্তিকর কণ্ঠস্বর
তদুপরি, ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি ইসরায়েলি সরকারের নীতি ও কর্মকাণ্ডের কঠোর সমালোচনার কারণে চমস্কিকে অনেক জায়নবাদী ও ইউরোপীয়রা একজন "অস্বস্তিকর" ব্যক্তিত্ব হিসেবে বিবেচনা করে। ফিলিস্তিন সম্পর্কে তাঁর মতামত মার্কিন সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যেও বিতর্ক ও মিশ্র প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে।
চমস্কি ফিলিস্তিনিদের অধিকারের পক্ষে লড়াই করেছেন এবং ওয়েস্ট ব্যাংক ও গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের দখলদারি, অবৈধ বসতি স্থাপন এবং গাজা অবরোধের মতো কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করেছেন। ইসরায়েলের মানবাধিকার পরিস্থিতি ও ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের সাথে আচরণের বিষয়েও তিনি সোচ্চার। তাঁর এসব ভূমিকার জন্য অনেক মার্কিন কর্মকর্তা ও জায়নবাদী সংগঠন তাঁকে ইহুদিবিদ্বেষী ও হলোকাস্ট অস্বীকারকারী হিসেবে অভিযুক্ত করার অপপ্রয়াস চালিয়েছে।
মেরুনপেপারে আপনার চিন্তাশীল ও গবেষণাধর্মী লেখা প্রকাশ করুন
আইন, রাজনীতি, দর্শন, অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতি বিষয়ে মৌলিক গবেষণা ও বিশ্লেষণ লিখে পৌঁছে দিন অনুসন্ধিৎসু পাঠকদের কাছে।
ফিলিস্তিনিদের বিষয়ে ইসরায়েলের নীতি ও কর্মকাণ্ডে যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য পশ্চিমা বিশ্বের সমর্থনকেও চমস্কি கடுভাবে সমালোচনা করেছেন। তাঁর মতে, ইসরায়েল আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকার লঙ্ঘন করলেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা দেশগুলো তাঁকে রাজনৈতিক ও সামরিক সহায়তা প্রদান করে চলেছে।
পড়ুন নেলসন ম্যান্ডেলা: আধুনিক দক্ষিণ আফ্রিকার জনক
চমস্কির দৃষ্টিভঙ্গির সাথে দ্বিমত পোষণকারী জায়নবাদী ও ইউরোপীয়রা প্রায়ই তাঁর বিরুদ্ধে ইসরায়েল-বিরোধী পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তোলেন। তাঁদের দাবি, চমস্কির দৃষ্টিভঙ্গি একপাক্ষিক এবং তিনি ইসরায়েলি নাগরিকদের নিরাপত্তা ঝুঁকি ও ফিলিস্তিনি বিদ্রোহীদের হুমকিকে গুরুত্ব দেন না।
মূলত ইসরায়েলি সরকারের ফিলিস্তিন নীতি, ফিলিস্তিনিদের অধিকার রক্ষায় তাঁর অ্যাডভোকেসি এবং এর পেছনে মার্কিন ও পশ্চিমা দেশগুলোর ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা করার কারণেই এক শ্রেণির মানুষের কাছে তিনি "অস্বস্তিকর" ব্যক্তিত্বে পরিণত হয়েছেন।
বিংশ শতাব্দীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমাজকর্মী
এসব অভিযোগ সত্ত্বেও, চমস্কি সামাজিক ও রাজনৈতিক বিষয়ে কথা বলা থেকে বিরত থাকেননি এবং ভাষাবিজ্ঞানে তাঁর অবদান ও রাজনৈতিক সক্রিয়তার জন্য তিনি ব্যাপক স্বীকৃতি পেয়েছেন। অগণিত মানুষ তাঁর মতাদর্শ পাঠ ও অনুসরণ করে চলেছে।
জীবনজুড়ে চমস্কি নানা প্রতিষ্ঠানের সাথে যুক্ত থেকেছেন—যার মধ্যে রয়েছে ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (এমআইটি), যেখানে তিনি পাঁচ দশকের বেশি সময় শিক্ষকতা করেছেন, প্রিন্সটনের ইনস্টিটিউট ফর অ্যাডভান্সড স্টাডি এবং অ্যারিজোনা বিশ্ববিদ্যালয়, যেখানে তিনি ভিজিটিং প্রফেসর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
কার্ল মার্কসের প্রধান তত্ত্বগুলির মধ্যে রয়েছে দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ, ঐতিহাসিক বস্তুবাদ, শ্রেণি সংগ্রাম, পুঁজিবাদী শোষণ এবং সাম্যবাদ।
সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত সক্রিয় হওয়া সত্ত্বেও চমস্কি তাঁর ব্যক্তিগত জীবনকে সর্বদা আড়ালে রেখেছেন। তাঁর খ্যাতি ও সাফল্য সত্ত্বেও তিনি প্রচারবিমুখ এবং নিজের কাজের প্রতি অত্যন্ত নিবেদিতপ্রাণ। তিনি বর্তমানে তাঁর একাডেমিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় এবং ম্যাসাচুসেটসের লেক্সিংটনে বসবাস করছেন।
নোম চমস্কি আধুনিক বুদ্ধিবৃত্তিক জগতের এক দিকপাল, যার ভাষাবিজ্ঞান ও জ্ঞানীয় মনোবিজ্ঞানের বৈপ্লবিক কাজ আমাদের ভাষা, চিন্তা ও মন সম্পর্কে ধারণাকে বদলে দিয়েছে। তাঁর রাজনৈতিক অংশগ্রহণ, গণমাধ্যম সমালোচনা এবং মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির বিশ্লেষণ গভীর প্রভাব বিস্তার করেছে।
কর্ম ও স্বীকৃতি
১৯৫৭ সালে প্রকাশিত "সিনট্যাকটিক স্ট্রাকচারস" ছাড়াও চমস্কি রাজনীতি ও পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে প্রচুর লিখেছেন। "হেজিমোনি অর সারভাইভাল: আমেরিকার কোয়েস্ট ফর গ্লোবাল ডমিনেন্স", "হু রুলস দ্য ওয়ার্ল্ড?" এবং "ম্যানুফ্যাকচারিং কনসেন্ট: দ্য পলিটিক্যাল ইকোনমি অফ দ্য মাস মিডিয়া" তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত কাজগুলোর মধ্যে অন্যতম।
এগুলো ছাড়াও দর্শন, শিক্ষা এবং জ্ঞানীয় মনোবিজ্ঞানের মতো নানা বিষয়ে তিনি লিখেছেন। ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাত নিয়ে রচিত বিভিন্ন গ্রন্থে তিনি ফিলিস্তিনি জনগণের অধিকারের পক্ষে জোরালো কথা বলেছেন।
সমাজে নোম চমস্কির মতো ব্যক্তিত্বের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে ভিন্নমত থাকতে পারে। অনেকের মতে, পররাষ্ট্রনীতি, গণমাধ্যম ও সামাজিক ন্যায়বিচারের মতো বিষয়ে তাঁর কঠোর সমালোচনামূলক দৃষ্টিভঙ্গি সরকারি ও কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের দায়বদ্ধতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য অপরিহার্য। তাঁর তত্ত্বগুলো ব্যাপক পঠিত এবং ভাষাবিজ্ঞানে তাঁর অবদান সর্বজনস্বীকৃত।
অন্যদিকে, কিছু মানুষ হয়তো চমস্কির মতামতের সাথে একমত নন এবং মনে করেন যে তাঁর সমালোচনা প্রায়শই নেতিবাচক ও মাত্রাতিরিক্ত। তাঁদের মতে, গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক ও রাজনৈতিক সমস্যাগুলো নিয়ে আলোচনার সময় আরও ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।
যাই হোক, একটি সুস্থ গণতন্ত্রের জন্য বিভিন্ন ধরণের মতামতের সহাবস্থান অপরিহার্য, যা যেকোনো জটিল সমস্যা নিয়ে গভীর ও অর্থবহ আলোচনার সুযোগ সৃষ্টি করে। মানুষের উচিত যেকোনো বিষয়কে সমালোচনামূলক দৃষ্টিভঙ্গিতে যাচাই করে নিজস্ব সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়ার দক্ষতা অর্জন করা।
যদিও চমস্কির রাজনৈতিক ও গণমাধ্যম-সম্পর্কিত মতামত নিয়ে বিতর্ক রয়েছে, তবুও অনেকেই সেগুলোকে চিন্তার খোরাক হিসেবে গ্রহণ করেন। ভাষাবিজ্ঞানে অসামান্য অবদান এবং সক্রিয় ভূমিকার জন্য তিনি কিয়োটো প্রাইজ, হেলমহোল্টজ মেডেল এবং বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন মেডেলসহ অসংখ্য পুরস্কার ও সম্মানে ভূষিত হয়েছেন। বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ এই মেধাবী ব্যক্তিত্ব এখনো বিভিন্ন বিষয়ে লিখে ও বলে চলেছেন।
নোম চমস্কির বিখ্যাত গ্রন্থ ও প্রবন্ধসমূহ
তাঁর বিখ্যাত সব কর্মের তালিকা আপনি এখানে খুঁজে পাবেন, নোম চমস্কির সেরা রচনাবলির একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা, এবং আপনার পছন্দের বইটির পিডিএফ সংস্করণ ডাউনলোড করুন!




