আফগানিস্তানের রাজতন্ত্রের পতনের কারণ ও দাউদ খানের ভূমিকা
আহমদ শাহ আব্দুল এর প্রতিষ্ঠিত আফগানিস্তানের রাজতন্ত্রের পতনের মাধ্যমে আফগান ইতিহাস একটি গতানুগতিক ধারা হতে বিচ্যুত হয় এবং পরবর্তীকালে আফগান ইতিহাসে প্রবেশ করে এটি নতুন অধ্যায়ে।
ইতিহাস ক্যাটাগরিতে আমরা সময়ের স্রোতে হারিয়ে যাওয়া বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনা, গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধ, সভ্যতার উত্থান-পতন এবং বিশিষ্ট ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বদের জীবনী তুলে ধরব। এই বিভাগে থাকবে অতীতের নানা ঘটনা ও কাহিনীর বিশ্লেষণ, যা পাঠকদের ইতিহাসের গভীরে প্রবেশ করতে সাহায্য করবে। প্রাচীন সভ্যতা থেকে শুরু করে আধুনিক যুগের ইতিহাস পর্যন্ত বিস্তৃত এই বিভাগটি পাঠকদের জ্ঞান বৃদ্ধি ও সচেতনতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।
আহমদ শাহ আব্দুল এর প্রতিষ্ঠিত আফগানিস্তানের রাজতন্ত্রের পতনের মাধ্যমে আফগান ইতিহাস একটি গতানুগতিক ধারা হতে বিচ্যুত হয় এবং পরবর্তীকালে আফগান ইতিহাসে প্রবেশ করে এটি নতুন অধ্যায়ে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের এই আদর্শিক বিরোধ, পারস্পরিক সন্দেহ ও অবিশ্বাসই স্নায়ু যুদ্ধ।
বার্লিন কংগ্রেসের ফলস্বরূপ জার্মানিও ইউরোপের অন্যান্য পরাশক্তিগুলোর অনুসরণে জার্মান সাম্রাজ্যবাদ প্রতিষ্ঠায় কাজ শুরু করে সম্রাট দ্বিতীয় উইলিয়ামের অধীনে।
সুদীর্ঘ ও গভীরে প্রোথিত ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংকট গত এক শতাব্দীরও অধিক সময় ধরে অগণিত মানুষের অবর্ণনীয় দুর্দশা ও বাস্তুচ্যুতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিংশ শতাব্দীর ইরানের ইতিহাসে সর্বাপেক্ষা উল্লেখযোগ্য ঘটনা হলো ১৯৭৯ সালের প্রথম দিকে ইমাম খোমেনীর নেতৃত্বে ইরানের ইসলামী বিপ্লব, যার মাধ্যমে আমেরিকা-ব্রিটেনের সাম্রাজ্যবাদ ও তাদের অনুচর পাহলভী রাজবংশের পতন ঘটিয়ে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের সূচনা করা হয়।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা, ব্যপকতা, আধুনিক অস্ত্র ও সাজসরঞ্জামের ব্যবহার, প্রাণ ও ধনসম্পদের বিনাশ, সকল দিক বিবেবচনায় দীর্ঘ চার বছর তিনমাস ব্যাপী এই সর্বগ্রাসী ধ্বংসলীলা সমগ্র বিশ্বকে ওলট-পালট করে দিয়েছে। এমন অবস্থায় উড্রো উইলসনের চৌদ্দ দফা নীতির দেখা মেলে মার্কিন কংগ্রেসে তার ভাষণে।
১৯৮৪ সালের ৩১শে অক্টোবর, ভোরের সূর্যোদয়ের সাথে সাথে ভারতের রাজনৈতিক মানচিত্র চিরতরে বদলে গিয়েছিল। ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর হত্যাকাণ্ড দেশটির ইতিহাসের এক অভূতপূর্ব সন্ধিক্ষণ হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে।
America's long-standing relationship with Cuba has been marked by historical complexities and turbulent conflicts.
১৯৬০-এর দশকে প্রত্যক্ষ উপনিবেশ শাসনের অবসান ঘটলেও পশ্চিম ও মধ্য আফ্রিকায় কীভাবে টিকে রইল ফরাসি প্রভাব? সিএফএ ফ্রাঁ, সামরিক আগ্রাসন, অপেরাসিওঁ বারখান এবং ফ্রাঁসাফ্রিকের নব্য-উপনিবেশবাদী কাঠামোর ঐতিহাসিক বিশ্লেষণ।
এক ভয়াবহ ও মর্মন্তুদ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে, ২০২৩ সালের ৩রা মে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মণিপুরে জাতিগত দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়ে, যা পুরো অঞ্চলকে এক অন্তহীন নৃশংসতা ও ধ্বংসলীলার অতল গহ্বরে নিমজ্জিত করে।
ইতিহাসের পাতা উল্টালে ১৯৪৭ এর দেশ ভাগের পর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় দেখি। তা হলো ১৯৫৪ সালে পূর্ব পাকিস্তানের প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচন, যা বাঙালী জাতীয়তাবাদের ইতিহাসে এক বৈপ্লবিক ঘটনা।
১৯৭৫ সালে পরিশেষে ভারত সিকিমের স্বাধীনতা হরণ করে এই ক্ষুদ্র ভূখণ্ডকে নিজ অন্তর্ভুক্ত করে নেয়। এই নিবন্ধে গণভোটের মাধ্যমে সিকিমের ভারতভুক্তির সেই ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
১৯০৮ সালে পারস্যের মসজিদ-ই-সুলাইমানিয়া নামক তেলক্ষেত্রের আবিষ্কারের দ্বারা মধ্যপ্রাচ্যে তেল উত্তোলন শুরু হয়। শুরুর দিকে অ্যাংলো ইরানিয়ান অয়েল কোম্পানীর হাতে তেল উৎপাদনের সর্বময় ক্ষমতা থাকলেও পরবর্তিতে ডঃ মোসাদ্দেকের নেতৃত্বে ইরানের তেল শিল্প জাতীয়করণ করা হয়।
কুব্বাত আস-সাখরা(কুব্বাতুস সাখরা) মূলত ডোম অফ দ্য রক (Dome of the Rock) নামে পরিচিত চমৎকার এই ইসলামী সাংস্কৃতিক ও স্থাপনাটি সপ্তম শতাব্দীর শেষের দিকে নির্মিত হয়।
ইরাকের আধুনিক ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ছিল ১৯৫৮ সালের ১৪ জুলাই বিপ্লব। এই নিবন্ধে ঐতিহাসিক ১৪ই এপ্রিলের বিপ্লবের পটভূমি, জড়িত মূল পক্ষ এবং আধুনিক ইরাকের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলি আলোচনা করা হবে।